Detail

Home - গল্প - গল্প: ড্রয়ারের উপখ্যান- সফিকুল ইসলাম

গল্প: ড্রয়ারের উপখ্যান- সফিকুল ইসলাম

আমি একটি টেবিলের ড্রয়ার। আমার জন্ম এখানে নয়, সুদূর পার্বত্য চট্টগ্রামের কোনো এক পাহাড়ে । সেগুন গাছের কাঠ ছিলাম। আমাদেরকে বুক চিড়ে কেটে কাঠ বানানো হয়। মানুষের ধারণা, আমাদের ব্যথা হয় না। আসলে কাঠ হলেও আমরা ব্যথা পাই। কেটেই ক্ষান্ত হয় না। সুন্দর ফিনিশিং দেওয়ার জন্য আরও কতবার যে আমাদের চামড়ার উপরিভাগ বা ভেতরের ভাগ নানান ঢঙে ছেনানো হয় তার কোনো ইয়ত্ত্বা নাই। মানুষের মনমতো না হওয়া পর্যন্ত আমাদের উপর কর্তন, ঘর্ষণ, মর্দন সব চলে। এসব ঘর্ষণ মর্দনে যে আমাদের জীবন বাহির হবার যোগাড় হয়, আর কত কষ্ট হয় তা হয়তো মানুষ জানে না। জানলেও যে বন্ধ করতো তা নয়, মানুষের এক স্বভাব। অন্য প্রাণী হত্যা, ও এদেরকে যাচ্ছেতাই মতো ভোগ ও ব্যবহার করতে মানুষের আনন্দের জুড়ি নেই। ‘‘বিধাতার সেরা জীব মানুষ আর মানুষ যে কোনো প্রাণী হত্যা করতে পারবে ও ইচ্ছামতো ভোগ ব্যবহার করতে পারবে‘‘ – এসব কথা মানুষ নামের প্রাণীরা নিজেদের মধ্যে প্রচার করে, বিশ্বাস করে আর আমাদেরকে যা খুশি তা করে। সামান্য টেবিলের ড্রয়ার হয়ে বা কাঠ হয়েও আমরা বুঝতে পারি মানুষের মতো নিষ্ঠুর প্রাণী আর হতে পারে না। কিন্তু যখন সেগুন গাছ হিসেবে ছোট ছিলাম তখনও কিন্তু মানুষ আমাদের খুব যত্ন নিয়েছিল, নিয়মিত আমাদের পরিচর্যা করতো। সার্বক্ষণিক বা রোজকার খেয়াল করতো। খাওয়া পরার কোনো কমতি করতো না। যখনই বড় হলো আমার মূল সূত্র সেগুন গাছ, মালিক তা কেটে বেচে দিল। তথা মানুষ যার যত্ন করে, আদর করে আবার তারেই কেটে টুকরো টুকরো করতে দ্বিধা করে না। মানুষের মাঝে বিধাতা নিষ্ঠুর রুঢ়তা ও রসিকতার বৈশিষ্ট্য বহাল রেখেছেন। তাই মানুষ এসব পারে। যাই হোক, সেই সেগুন কাঠ করাতকল মালিক নিয়ে চিড়ালো। পরে বেচে দিল ফার্নিচারের দোকানে। ফার্ণিচার দোকানদার নানান কাটাকুটি ফিনিশিং এর পরে বানালো টেবিল। সেই টেবিলের ড্রয়ার হলাম আমি।

আমার অবস্থান এখন বড় সরকারি অফিসের বড় স্যারের রুমে। আমার কপাল ভালো। বড় রুম পেয়েছি, এসি রুম পেয়েছি। এ রুমে আসে দেশের বড় বড় হর্তা কর্তারা। বড় স্যার যে টেবিলে বসেন, সেই টেবিলেরই ড্রয়ার আমি। বড় স্যার আমাকে ব্যবহার করেন। আমাতে তার নিত্য প্রয়োজনীয়, অপ্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, স্টেশনারী, এটা সেটা সব রাখেন। বড় স্যারের কাছে যারা আসে, আর কথা বার্তা বলে সব আমি শুনি। বড় স্যার বা মানুষের ধারণা আমি জড় পদার্থ, আমার পঞ্চ ইন্দ্রীয় নেই। চোখ, কান, নাক, জিভ ও ত্বক ইত্যাদি নেই। বাস্তবে আমার সবই আছে। মানুষ জানে না যে এসব আমার আছে। মানুষের ধারণা আমরা কিছু বলতে পারি না। কিন্তু আমি সব বলতে পারি। হয়তো মানুষ শুনে না। বা বুঝে না। মানুষের না শোনার বা না বোঝার অক্ষমতা আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়! কী হাস্যকর মানুষ!

যাই হোক, এ অফিসে আমি ছয়বছর ধরে আছি। এ পর্যন্ত আমি কয়েকজন বড় স্যার পেয়েছি। বড় স্যারদের চরিত্র, আচার আচরণ ও স্বভাব ভিন্ন ভিন্ন রকম। তাই তাঁরা আমাকে নানানভাবে ব্যবহার করেছে। আমি সানন্দে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। সেগুন কাঠ বলে আর ডিজাইন সুন্দর বলে এ টেবিল কেউ পরিবর্তন করছে না। প্রত্যেক বড় স্যারেই টেবিল ও আমি ড্রয়ারকে পছন্দ করে। আমাদেরকে যিনি প্রথম কিনেন, তিনি  একটু সৌখিন প্রকৃতির ছিলেন। যে অফিসেই যান তার কাজ হলো টেবিল পাল্টে বড় সুন্দর টেবিল কেনা। ছয় বছর আগে তিনিই আমাদের কিনেছিলেন। বড় স্যারেরা চাইলে অফিসের যে কোনো কিছু যে কোনো সময় পরিবর্তন হয়ে যায়। টেবিল পরিবর্তন হতেও সময় লাগে না। বাসার জন্য হলে হয়তো তিনি ২০-৩০ হাজার টাকার মধ্যে একটা টেবিল কিনতেন। এমনটা হলেই অফিসেও চলার কথা। কিন্তু বড় স্যারের শখ বলে কথা। সরকারি টাকা যাবে, পকেট থেকে যাবে না। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেগুন কাঠ সংগ্রহ করে- এমন ব্রান্ডের ফার্নিচারের দোকান থেকে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে কিনেছেন। অথচ নিজের বাসার বিষয় হলে তিনি কখনোই ৫০ হাজার টাকার বেশি খরচ করতেন না। যাই হোক, বেশি টাকা হলেও টেকসই হয়েছে, অফিসের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে। আর সকল বড় স্যারই বদলি হয়ে এসে টেবিলটিকে তথা আমাকে পছন্দ করে। ছয় বছর ধরে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি, আরও দিয়ে যাবো। ড্রয়ার হিসেবে আমার খুব গর্ব হয়। কত কিছুর যে স্মৃতি-স্বাক্ষর আমি। একেক স্যার একেকরকম। তাই ড্রয়ার হিসেবে আমার অভিজ্ঞতাও ভিন্ন ভিন্ন।

প্রথম যেই স্যার ছিলেন, তিনি খুব সৌখিন ছিলেন।  এখানে তিনি আবার প্রচুর পারফিউম ব্যবহার করতেন। তাঁর বাসায় নিশ্চয়ই পারফিউম ছিল। থাকলেও  আমি ড্রয়ারের ভিতর একটি পারফিউম বোতল সবসময় রাখতেন। আমার ভিতর সারাক্ষণ সুগন্ধি ছড়িয়ে থাকতো। তিনি দিনে কয়েকবার আমাকে ব্যবহার করতেন। জরুরি পত্র, স্লিপ, বাজার সদাইয়ের কাগজ, কলম, পেন্সিল, ব্যাংকের চেক বই, ইত্যাকার নানান ধরণের জিনিস তিনি রাখতেন। তিনি আবার সব গুছিয়ে রাখতেন। ছোট একটা ড্রয়ার আমি, তবু মালিকের গুছিয়ে রাখাতে আমার একটু ফুরফুরে লাগতো। তবে এই বড় স্যার একটু রাগী টাইপের লোক। তিনি প্রতিবার ড্রয়ারটা লাগানোর সময় এমন জোরে ধাক্কা দিতেন যে আমার কষ্ট হতো। প্রতি বার মনে হতো একটা চপেটাঘাত খেলাম। কিন্তু কিছু করার নেই। যতই কান্নাকাটি মানুষের তা বোঝার ক্ষমতা নেই। যাই হোক একবার এক জরুরি কাগজ   আমার ভিতরে রাখলেন। তালা দিয়ে রাখা আমি ড্রয়ারকে। এরকমতো প্রায়ই রাখে। গভীর রাতে ঘুমাচ্ছি। হঠাৎ দেখি কে যেন তালা খোলার চেষ্টা করতেছে। অনেক গুতাগুতি করে মোটামুটি কিছু ভেঙ্গেই আমাকে খুলে ফেলে। খুলেই ওই কাগজটা নিয়ে যায়। ওটা ছিল অফিসের এমএলএসএস এর অপকর্মের প্রমানক। সে ওটা নিয়ে যায়। আমারতো আর কিছু করার নেই। পরেরদিন এ নিয়ে অনেক হৈচৈ হয়েছে। কিন্তু কে নিল তা কেউ বুঝতে পারলো না। তখন সিসি ক্যামেরা ছিল না। আর দারোয়ানরা তো ঘুমায় সারারাত পলে পলে। যে নিয়েছে সে নিশ্চয়ই দারোয়ানদেরকে কবজা করেই নিয়েছে। সুতরাং  সেই এমএলসএসের কিছুই হলো না।

এরপরে যেই স্যার এলেন তাঁর আবার আরেক নেশা। তিনি সারাদিন সিগারেট টানেন। সিগারেটের প্যাকেট রাখেন আমার মধ্যে। সিগারেটের গন্ধে আমার শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মরে যাবার উপক্রম। কাঠের তৈরি ড্রয়ার আমি। আমি সইতে পারি না এত ঝাঁঝ, তবু মানুষ কীভাবে খায় আর নাক দিয়ে ধোঁয়া ছাড়ে এটা আমার মাথায় ধরে না। মানুষের মাথায় এটা ঢুকবে না যে আমারও মাথা আছে, আছে ইন্দ্রিয় যার কারণে ধোঁয়া ও সিগারেটের ঝাঁঝ সইতে পারি না। সুযোগ পেলেই স্যার রুমে বসেই সিগারেট ফুঁকে। পুরো ঘরে সিগারেটের গন্ধ। স্যারের আরেকটা সমস্যা হলো মানুষের কাছ থেকে খাম গ্রহণ করে। খামে খামে ড্রয়ার ভরে যায়। মাঝে মাঝে টাকার বান্ডেল। কত টাকা কত দিক থেকে যে আসে! দেশের হোমরা চোমরা লোকেরা আসে আর খাম দিয়ে যায়। যেসব সেবা এমনিতেই হবার, তবু খাম দিয়ে যায়। যারা দেয় না তাদের কাজও হয়, যারা দেয় তাদেরও হয়। ফাউ ফাউ টাকা দিয়ে গেলে অনেকেই ফেরত দিবে না। আমাদের  এই স্যারও সেইরকম। অযথাই মানুষ টাকা দিয়ে যায়। স্যারও আস্তে করে ড্রয়ারে রেখে দেয়। মানুষের জগতে এটার অনেক নাম আছে। কেউ বলে ঘুষ কেউ বলে স্পিড মানি। কেউ বলে অবৈধ কেউ বলে প্রয়োজন। নাম যা-ই হোক, স্যারের মন জানে যে এই টাকা লিগ্যাল না। টাকার নেশা বড় নেশা। যার ভিতরে এ নেশা আছে সে তা ছাড়তে পারে না। খাম নেওয়া ও সিগারেট টানা ছাড়াও স্যারের আরেকটা নেশা ছিল। প্রচুর চিঠি আসতো। সেসব চিঠি আমি লুকিয়ে পড়তাম একটু একটু। বড় গভীর প্রেমের পত্র। পড়তে পড়তে আমার লজ্জা লাগতো। লজ্জায় মুখ লাল হয়ে এলে আমি না পড়েই রেখে দিতাম। এসব চিঠি আবার একজনের কাছ থেকে আসতো না। কয়েক জায়গা থেকে আসতো। জগতের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে এলেও আমি ড্রয়ারের কাছে স্যারের কোনো গোপনীয়তা নেই। স্যার গোপন করতেই আমাকে তালা দিয়ে সব রাখে। আর এই ফাঁকে আমি সব পড়ে ফেলি। বেড়ায় ক্ষেত খাওয়ার দশা। মানুষ মানুষকে ভরসা পায় না, কিন্তু কাঠের ড্রয়ারকে ভরসা করে! তালা‘কে ভরসা করে। তাহলে কি লোহার তালা আর কাঠের ড্রয়ারের চেয়ে মানুষ অবিশ্বস্ত? আমার স্যারও মনে হয় অবিশ্বস্ত।  একদিন স্যার কন্ডমের প্যাকেট এনে ড্রয়ারে রাখলেন। সাথে সিগারেট প্যাকেট। সিগারেট খান সেটা ঠিক আছে। কিন্তু কন্ডমের প্যাকেট কেন আনলেন তা তো বুঝলাম না। স্যারের বউ থাকে চট্টগ্রাম শহরে। স্যার এখানে সিংগেল থাকে। নাকি বউয়ের কাছে যাবার জন্য  আগেই কিনে রেখেছে কে জানে! ড্রয়ার হিসেবে ড্রয়ারে যা রাখে তা পড়তে পারি, দেখতে পারি। কিন্তু স্যারের মনতো আর পড়তে পারি না!

একেক স্যার আসে আর ড্রয়ারের নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হয়। এরপরে যে স্যার আসলেন সেই স্যার একটু অন্যরকম। সারাক্ষণ মানুষে গিজগিজ করে রুমে। সবার জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। সবাই গণহারে রুমে ঢুকে। মানুষের যে কতরকম সমস্যা থাকে তা এই স্যার না আসলে জানতামই না। আমজনতা যখন তখন হাবিজাবি নানান সমস্যা নিয়ে আসে। সবার সব কথা এই স্যার মন দিয়া শুনে। পিকিউলিয়ার সব সমস্যা মানুষের। ড্রয়ার হিসেবে  আমার অবাক লাগে যেসব সমস্যা পাবলিক নিজেরাই বাড়িতে বসে সমাধান করতে পারে, সেইসব সমস্যা নিয়াও আসে। দুই ভাইয়ের ঝামেলা বা প্রতিবেশির ঝামেলা এসবের বেশিরভাগতো নিজেরাই সমাধান করতে পারে, কেন যে অফিসে আসে! স্যার সবারে বোঝানের চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে রেগেও যায়। কারণ কিছু পাবলিক এমন ত্যাড়ার ত্যাড়া যে বিচার মানি কিন্তু তালগাছটা আমার।  এরকম পাবলিক দিয়েতো আর সমাধান হবে না। যেসব স্টাফ অফিস ফাঁকি দেয়, মানুষকে সেবা দিতে গিয়ে হয়রাণি করে সেসব ষ্টাফদেরকে সতর্ক করে। না পরিবর্তন হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এসব স্টাফরা অনুনয় বিনয় করে এসে ক্ষমা চায়। স্টাফরা একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন নালিশ করে। সেসব নালিশ  এই স্যার আমার ভিতর তালা দিয়ে রাখে। কত স্টাফ যে কতরকম অভিযোগ করে! ঘুষের অভিযোগতো আছেই, পাওয়া যায় নারী কেলেংকারির অভিযোগও। বেনামি অভিযোগও অনেক আসে। একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন বলে। সে কারণে আসলে সবার আকাম কুকামই প্রকাশ হয়ে পড়ে। স্যার মনে মনে কৌতুকবোধ করে।

এরই মাঝে এক স্যার পেয়েছিলাম তিনি কেবল কবিতা লিখতেন। অফিসের কাজ করতেন মন দিয়ে, কিন্তু ফাঁক পেলেই সন্ধ্যার পরে বা অবসরে কবিতা লিখতেন। সেইসব কবিতা আবার আমার ভিতরে রাখতেন। আমি পড়তাম। কঠিন কঠিন ভাষা। তাই বুঝতে পারতাম না, সব। তিনি প্রচুর চকলেট খেতেন। চকলেট আমার ভেতরে রাখতেন। চকলেটতো আমার খাবার না। তাই খেতে পারতাম না। তবে স্যার খুব আয়েশ করে চকলেট খেতেন। কেউ এলে বিশেষ করে মেয়েরা বা বাচ্চারা এলে স্যার চকলেট খুলে দিতেন। বাচ্চারা খুব খুশি হতো। বড়রা একটু বিব্রত হলেও চকলেট নিতো ও খেতো।

আমার ভেতর বাহির সুন্দর হলেও আমাকে ভেতর থেকে গুণপোকায় ধরেছে। বাইরে থেকে বোঝা যায় না। আমি যথাযথ সেবা দিয়ে যাচ্ছি। সেগুন কাঠ বলে যে আমারে গুণপোকা কাটার কথা না। কিন্তু মিস্ত্রি বানানোর সময় ড্রয়ারের একদম ভিতরে এক টুকরো অন্য কাঠ ঢুকিয়ে দিয়েছে। মানুষ এত সন্তর্পনে অন্যকে ফাঁকি দেয় যে তা খুব কমই বোঝা যায়। যখন বোঝা যায় তখন আর কিছু করার থাকে না।। সে যাই হোক, গুণপোকায় আমার ভেতর খেয়ে একদম ঝাঝরা করে ফেলেছে। ভেতরে যত কষ্টই থাক, মুখ বুঝে সেবা দিয়ে যেতে পারলেই সবাই খুশি। আমি নিশ্চিত যেদিন সবাই দেখবে আমাকে গুণপোকায় খেয়ে ফেলছে সেদিনই আমাকে ডাস্টবিনে নিয়ে ফেলে দেবে। অতি যত্নে এসি রুমে রাখা আমাকে নোংরা ডাস্টবিনে ফেলতে মানুষের একটুও মায়া লাগবে না। সৃষ্টিজগতের এসব নিষ্ঠুরাতও রুঢ়তা আমাকে বড় দাগা দেয়।  ড্রয়ার হিসেবে আমি ধন্য যে দীর্ঘদিন সেবা দিয়ে যাচ্ছি। একদিন হয়তো ডাস্টবিনে বা মাটিতে মিশে যাবো। মাটি থেকে উতপত্তি মাটিতেই শেষ। মানুষেরও এরকমই। মানুষের সাথে আমাদের জীবনের কী মিল!

Share Now
Author

Dr. Shafiqul Islam

(BBA, MBA, DU; Mphil, Japan; PhD, Australia) Deputy Secretary, Government of Bangladesh. Chief Executive Officer, Cumilla City Corporation, Local Government Division, Ministry of LGRD
error: Content is protected !!

My Shopping Cart