Detail

Home - Motivational - তদবির ছাড়া চাকুরী হয়না একথা সর্বদা সত্য নয়।

তদবির ছাড়া চাকুরী হয়না একথা সর্বদা সত্য নয়।

তখন বিবিএ শেষ করে এমবিএ করছি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের শেষ পর্যায়ে।চারপাশ থেকেই আয় রোজগারের জন্য চাপ। পত্রিকায় চাকুরির বিজ্ঞাপন দেখলেই আবেদন করি। তো একটি প্রভাবশালি বড় গ্রুপ তাদের ডেভেলাপার প্রপার্টির জন্য “ওয়াক ইন ইন্টারভিউ”র বিজ্ঞাপন দিসে।পদের নাম “মার্কেটিং এক্জিকিউটিভ”। নির্দিষ্ট দিনে কোম্পানির ভবনের ১১ তলায় গিয়ে হাজির হলাম।১১ তলায় নাকি অন্য তলায় মনে নেই। গিয়ে দেখি লঙ্কা-কান্ড। শত শত ছাত্র পরীক্ষা দিতে এসছে।সব বিবিএ এমবিএ আর অনার্স মাস্টার্স এর খেলা। আমাদের ফ্যাকাল্টি থেকে অনেকেই। ডিপার্টমেন্টের বন্ধুদের অনেককেই দেখলাম। সবাই ভাইভার অপেক্ষায় আছে। নির্দিষ্ট সময়ের ১ ঘন্টা পর থেকে ভাইভা শুরু হইসে। এর মধ্যে আশেপাশের অনেক কথাই কানে আসতেছে। কার বাবা গ্রুপের মালিকের বন্ধুর বন্ধু। কার মামা ক্যামনে কোম্পনীর বড় পদে চাকুরি করে। কার সিজিপিএ কত পয়েন্ট বেশি। ভাইভা বোর্ড এ যিনি থাকবেন তিনি কার হলের বড় ভাই ছিলেন। ইত্যাদি ইত্যাদি। বিশাল বারান্দা আর হল রূমে দেখার মতো অভাবনীয় দৃশ্য।কেউ কেউ হাতে বই বা নোটশিট পড়তেছে। কেউ কেউ মোবাইলে কথা বলতেছে। ভাইভা শুরু হলো। আমার ভাইভা শেষের দিকেই হলো। এ সময়টা  প্রচন্ড চাপেই গেছে।অবশেষে আমার ডাক এলো। সালাম দিয়ে প্রবেশ। বসতে বললেন। বসেই দেখলাম কোম্পানির মালিক স্বয়ং বসা। ওনার ছবি আগে পত্রিকায় দেখা ছিল তাই চিনতে পারলাম। আরও তিনজন। বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন শুরু হলো। একে একে উত্তর দিচ্ছি। তো শেষ প্রশ্ন

-হাউ মাচ ডু ইউ ওয়ান্ট এজ ইউর মান্থলি সেলারি?

-আমি দুদোল্যমানতায় পড়ে গেলাম। কী বলবো! কার কাছে যেন শুনেছিলাম যে এ কোম্পানি এন্ট্রিলেভেলে ১০,০০০ টাকার বেশি দেয়না। তারপরও বললাম- টুয়েন্টি থাউজেন্ড।

– ডু ইউ হ্যাভ এনি আইডিয়া এবাউট দ্যা জব মার্কেট? মালিকের পাশে একজন (পরে জেনেছিলাম যে তিনি মালিকের ছেলে) ফুস করে ধমকের মতো করেই বলে উঠলেন।

-ধমক খেয়ে আমি ভরকে গেলাম। তবুও মেরুদন্ডটা সোজা রেখেই বললাম। ইয়েস আই হ্যাভ এভরি আইডিয়া এবাউট দ্যা জব মার্কেট ইন বাংলাদেশ। ম্যানি অব মাই ফ্রেন্ডস হু ‍আর ফ্রম সেইম ব্যাকগ্রাউন্ড, ডুইং জব অ্যান্ড আর্নিং মোর দ্যান দেট।

– স্টপ! ডুন্ট টক মাচ। জাস্ট আনসার উইথ ইয়েস অর নট।শাউট করে ধমকে উঠলেন স্বয়ং মালিক।  পুরো বোর্ড হচকচিয়ে উঠলো। তিনি বলে চললেন অনেক লোক আছে যারা ১০,০০০ টাকা দিয়েই এ জব করবে। ১২০০০ টাকা মাসে দেয়া হলে জব করবা? নাকি না?

-পুনঃধমক খেয়ে আমার আত্মারাম ছাড়া অবস্থা। আমি প্রায় ৪ সেকেন্ড বোবা হয়ে গেলাম। পরে শুরু করলাম। আই উইল নেভার সে “নো”, ”নট” অর এনি নেগেটিভ ওয়ার্ড। বিকজ আই অ্যাম নট পেসিমিসটিক। আই অ্যাম অপটিমিস্টিক। ইয়েস, ইয়েস আই শেল ডু দ্যা জব। হোয়াটএভার দ্যা এমাউন্ট ইউ উইল প্রোভাইড মি। আই নো দ্যাট ইউ  উইল গেট মেনি পারসনস উইথ ফাইভ থাউজেন্ডস, এইট থাউজেন্ডস, অর টেন থাউজেন্ডস। বাট ইফ ইউ ওয়ান্ট বেটার কোয়ালিফাইড পারসন, রিজাল্ট অরিয়েন্টেড পারসন হু ক্যান ওয়ার্ক হার্ড অ্যান্ড প্ল্যান বেটার ইউ মাস্ট পে মোর। বেটার পে ফর বেটার ক্যান্ডিডেট। ইটস নেচারাল। বেটার ব্রিংস বেটার অ্যান্ড বেটার রিকোইয়ার্স বেটার।

-জাস্ট গেট আউট। গেট আউট। পুনঃ চিৎকার মালিকের।

ইয়েস স্যার বলে বেরিয়ে এসেছিলাম। তো আমি ধরেই নিয়েছিলাম যে ধমক খাইছি আর তাদের দৃষ্টিতে যে বেয়াদবি হইসে তাতে চাকুরীর কোন সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু পরে, তিন দিন পরে আমাকে ফোন করা হলো। মোট তিনজনকে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আমিও একজন। যোগদানের পর ১২ দিন কাজ করেছিলাম। পরে অন্য চাকুরিতে চলে যাই। সে গল্প অনত্র বলবো।

তদবির ছাড়া চাকুরী হয়না একথা সত্য নয়। তদবিরে অনেকের চাকুরি হয়। হতেই পারে। আবার তদবির ছাড়াও চাকুরি হয়।কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হলো যারা ব্যর্থ হন তারা নিজের ব্যর্থতা স্বীকার না করে বলে বেড়ান “মামা-চাচা নাই, তাই চাকুরী পাইনাই”। এ অপপ্রচার বাংলার আনাচে কানাচে।এই একটা বিষয় যেখানে সফলরা প্রচার করে কম।

১১ বছর আগের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ হলো মাত্র। বিভিন্ন ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষা হচ্ছে। আবেদন করছি। এর মধ্যে পরিচিত অনেকেই বললেন ব্যাংকের চাকুরি পরিচিত বা তদবির না থাকলে হয়না।বুয়েটে এক ছাত্রকে পড়াই। তার মা বললো লংকা বাঙলা না কী যেন এক ব্যাংকে চাকরি দিয়ে দিবে ৫ লাখ টাকা লাগবে। শুনে হতাশ হলাম। যাক এর মধ্যেই সাউথইস্ট ব্যাংকে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলাম।কয়েক হাজার প্রার্থী থেকে কয়েকজন মাত্র নেয়া হবে। ভাইভাতে ডাকা হলো।সকল সনদের সত্যায়িত কপি নিয়ে যেতে হবে। তো সত্যায়িত করার জন্য একটি সরকারি কলেজের কমনরুমে গেলাম। অনেক শিক্ষক বসা। তাঁরা কেউ পত্রিকা পড়ছে কেউ আড্ডা দিচ্ছে। কিন্তু আমাকে তারা সত্যায়িত করে দিবেনা। মূল সনদ দেখে সত্যায়িত করতে কী সমস্যা তাও বুঝলামনা। অনুনয় বিনয় করেও কাজ হলোনা। পরে ক্ষেপে গিয়ে চিৎকার করে বলেছিলাম হতে পারে একদিন আমিও আপনার মতো সত্যায়িত করার যোগ্যতা অর্জন করবো। শুনে তারা তাচ্ছিল্যের হাসি হেসেছিলেন। যাক পরে অন্যত্র সত্যায়িত করা হয়েছিল। পরদিন তো সব কাগজপত্র নিয়ে মতিঝিল বকচত্ত্বরের পাশে সাউথইষ্ট ব্যাংকের হেড অফিসে পৌঁছলাম।হঠাৎ টাই পরায় একটু অস্বস্তি লাগছিল। সেদিনও অনেককে দেখলাম। একের পর এক ভাইভা হচ্ছে। খুব ভয়ে ভয়েই ভাইভা দিলাম। অনেক বিষয়ে প্রশ্ন হলো।৬/৭ জন মিলে প্রশ্নের পিঠে প্রশ্ন করে। যেন কয়েকটা বাঘ মিলে একটা শাবককে খাওয়ার আগে একটু খেলে নেওয়া। যাক সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলাম।ভাইভা ইংরেজিতে হলেও শেষ প্রশ্ন ছিলো – সফলতার কোন বিকল্প নাই এর ইংরেজি কর। তখনই বুঝেছিলাম। বোর্ড খুশি হয়েছে। যাক পরে কোন তদবির ছাড়াই চাকুরি হয়ে গেল। না কোন মামা চাচা বা টাকা লাগেনাই! ৮ মাস ব্যাংকে চাকুরী করেছিলাম।পরে বিসিএস এ জয়েন করি।ব্যাংকের চাকুরী ছাড়া নিয়া তিক্ত ঘটনা আছে। পরে একসময় বলবো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ এমবিএ পড়ে মার্কেটিং এর এক্সপার্ট হয়ে সরকারি চাকুরি করবো এমন ভাবনা মাথায় ছিলনা। যারা পড়াতেন তারাও কোম্পানি, ফাইনান্স, হিসাব, লাভ, লোকশান, ব্রান্ডিং, ইত্যাদির বাইরে কোন উদাহরণ দিতেননা। হঠাৎ দেখি জহুরুল হক হলের বন্ধুরা বিসিএসএর ফরম ফিলাপ করছেন। আমিও তাদের সাথে দাড়িয়ে ফরম কিনলাম। তখনও ক্যাডার সার্ভিস কি জানিনা। চাকুরী হলে কোন পদ ভালো কোন পদ গুরুত্ব কম বুঝিনা। তবুও অন্যদের দেখাদেখি ফরেন অ্যাফেয়ার্স প্রথম চয়েস ও প্রশাসন দ্বিতীয় চয়েস দিয়ে ফরম জমা দিয়ে দিলাম। জমা দিয়েই শেষ। আবার বিজনেস, মার্কেটিং ইত্যাদি ত্যারা ত্যারা শব্দ নিয়া বিজি হয়ে গেলাম। কয়েকমাস পর হঠাৎ প্রিলিমিনারির তারিখ পড়লো। সবাই পড়ছে। সাথে আমিও পড়ছি। পরীক্ষা দিয়ে আসলাম। মনে হচ্ছিল ভালোই হয়েছে। হলে এসে সবার সাথে মিলিয়ে দেখি আশেপাশের অনেকের তুলনায় আমি কম পাচ্ছি। বন্ধুদের অনেকেরই ৮০/৯০ এর কম পাবেনা। তো আর কী করা! ফলাফলের অপেক্ষায় থাকলাম। রেজাল্ট বেরোল। দেখি আমার রোলও আছে। তবে হলের অনেকেরই প্রিলিতে হয়নি! যাক ধারাবাহিতকতায় লিখিত পরীক্ষা দিচ্ছি। পাশে জাহাঙ্গীরনগরের এক ভাইয়ের সীট পড়ছে। সে আমার থেকে দেখে কিন্তু তারে কিছু জিজ্ঞেস করলেই কোন হেল্প করেনা! পরে আমি লেখা শুরু করলে সে আবার আমার খাতা দেখে। আমি চোখ তুলে তাকালে সে লজ্জা পায়। আমি বললাম, লজ্জার কিছু নাই। যতখুশি দেখেন। আপনি দেখলে আমার নম্বর কমবেনা! সে অবাক হলেও দেখা বন্ধ করেনাই। গণিত পরীক্ষার দিন পরীক্ষা দিয়ে হলে ফিরলাম। সব কয়টা অংক হইসে তাই আমার মন ভালো। রুমমেটের ২ টা অংক হয়নাই। তাই মন খারাপ। তাকে স্বান্ত্বনা দিচ্ছি। পরে জানা গেলো সে গত রাতে প্রশ্ন পেয়েছে। প্রশ্ন পেয়েও কেন সে সবগুলি অংক পারেনি এজন্য তার মন খারাপ। আরও বড় বিষয় হলো আমার সাথে একই রুমে থেকেও সে বিষয়টি জানায়নি। অথচ আমার সব কয়টি অংক হয়েছে। সুতরাং তার মনের জ্বালা বন্ধ করার সাধ্যি কার! যাক লিখিত শেষ হয়ে ভাইভা হবে। সবাই বিভিন্ন ধরণের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করছে। টাকা, মামা, কোটা, রাজনীতি ইত্যাদি। সব শুনে মন খারাপ করার মতোই অবস্থা। যাক ভাইভা দিতে গেলাম।ফরেন অ্যাফেয়ার্স প্রথম চয়েস দেয়ায় চাপ বেশি। প্রশ্ন ইংরেজিতে। উত্তর ইংরেজিতে দিতে হবে। ইংরেজি ভালো পারলেও স্পিকিং ফোবিয়া আছে। তার উপর আন্তর্জাতিক বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান একেবারেই জানিনা। পত্রিকা পড়া আর সামান্য প্রস্তুতিই ভরসা। যথারীতি প্রশ্ন শুরু। জেলা, দেশ, বিশ্ববিদ্যালয়, সাবজেক্টে শেষ করে বিদেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়া প্রশ্ন শুরু হলো। ফরেন অ্যাফেয়ার্স বিষয়ে গুলির বেগে প্রশ্ন আসছে। সারাবিশ্বের চুক্তি, নদী নালা, হ্রদ, সীমানা, যুদ্ধ, রাজনীতি ইত্যাকার নানা বিষয়। কপাল ভালো ছিল প্রায় সবই জানার মধ্যেই ছিল। শেষদিকে চেয়ারম্যান জিজ্ঞেস করলো

– হুইচ ইজ দ্যা এক্সপেনসিভ সিটি ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড?

-টোকিও, আমার উত্তর।

-তোমার কোন ধারণাই নাই। এটা জানোনা? ইট শোড বি হংকং।

-আমি ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলাম। যতদূর মনে পড়ে আমি সঠিক। কিন্তু এখন যদি বলি যে স্যার আপনি ভুল বলছেন তাইলে লাগবে প্যাচ। তাই ৭/৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে বলা শুরু করলাম।”স্যার Actually, what I have told you, I told you from the book. There is a world ranking, which I have seen in the book. But in reality, I don’t have practical experience regarding this. I did not visit any country in the world. May be you have visited many countries and you have direct experiences. So you know better than me.

-তারপর তিনি নড়েচড়ে বসে শুরু করলেন । হ্যা আমি তো গত বছরও টোকিও গেলাম। এ মাসে হংকং থেকে ফিরলাম।

তারপ।ওনার স্মৃতিচারণ শুরু হয়ে গেলো।সামান্য পর অন্য একজন শুধু প্রশ্ন করেছিল, মার্কেটিং এর ছাত্র হিসেবে ফরেন অ্যাফেয়ার্স এ কিভাবে ভূমিকা রাখবা? নিজের দেশের ইমেজ অন্য দেশের কাছে বা বিশ্বের দরবারে পজিটিভলি তুলে ধরার জন্য মার্কেটিং পরিভাষার কিছু নমুনা তুলে ধরে মিনিটখানেক কথা বলার পর উনি বলেছিলেন “ইউ লুক লাইভ অ্যান্ড ব্রাইট।আমি থ্যাংক ইউ বললাম। তিনি বললেন, ওকে ডান। ইউ ক্যান গো।”

তবুও বাজারে প্রচারণা ছিল যে আমার ভাইভা বোর্ডের যিনি চেয়ারম্যান তিনি নম্বর কম দেন। গড়পরতা নম্বর দিয়ে রাখেন। তাই মনে ভাবনা ছিল হবে কি হবেনা।

পরে হলো। বন্ধু নাঈম (এখন বিসিএস পুলিশে) ফোন করে প্রথম খবরটা জানালো। আমি তখন সিলেটে। হ্যা কোন তদবির বা পন্থা ছাড়াই মেধা কোটায় অল ক্যাডারে ৫৫তম এবং প্রশাসন ক্যাডারে ২২তম হয়েছিলাম।

সুতরাং যারা চাকুরির বাজার সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারণা চালান তাদের থেকে দূরে থাকুন। আপনার চেষ্টা আপনি করুন। আপনাকে কেউ ধাবাইয়া রাখতে পারবেনা। স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম, কোটা ইত্যাকার ইস্যু হয়তো আছে, থাকবেও। তবে সব ছাড়িয়ে আপনার চেষ্টা যেন লক্ষ্যের নাগাল পায় সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখুন। মনে রাখবেন, সফলরা প্রচার করেনা, ব্যর্থরা সারাদিন কেন ব্যর্থ তার হাজার কারণ খুঁজে ও প্রচার করে। তবুও ‍নিজের সীমাবদ্ধতা দেখেনা।

-ড. সফিকুল ইসলাম।

(লেখাটি ভালো লাগলে নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন। কিংবা ইমেইল করতে পারেন অনুভূতি জানিয়ে Shafiq.bcs@gmail.com। শেয়ার করতে পারেন ফেসবুকে বা লিংকডইনে। )

Share Now
Author

Dr. Shafiqul Islam

(BBA, MBA, DU; Mphil, Japan; PhD, Australia) Deputy Secretary, Government of Bangladesh. Chief Executive Officer, Cumilla City Corporation, Local Government Division, Ministry of LGRD
error: Content is protected !!

My Shopping Cart